Cricket News

অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সকে ১১ রানে হারাল হোবার্ট হ্যারিকেন্স

লড়াই করেও হার অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের

বিগ ব্যাশ লিগ শুরু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই একটা টানটান উত্তেজনার ম্যাচের সাক্ষী থাকল ক্রীড়াপ্রেমীরা। এই ম্যাচে হোবার্ট হ্যারিকেন্স ১১ রানে জিতলেও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের শেষ উইকেটে ৬১ রানের অপরাজিত পার্টনারশিপ একপেশে ম্যাচটাকে জমিয়ে দিল।

এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অ্যাডিলেড  স্ট্রাইকার্সের অধিনায়ক পিটার সিডল। প্রথমে ব্যাট করে হোবার্ট হ্যারিকেন্স সংগ্রহ করে ২০ ওভারে ১৭৪/৫। ডি’আর্শি শর্ট সর্বোচ্চ ৪৮ বলে ৭৩ রান করেন। ২৫ বলে ৩৪ রান করেন উইল জ্যাকস। ১৩ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বোলারদের মধ্যে সবথেকে ভাল বল করেন ওয়েস আগার। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি।

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স ১৬৩ রান করে ও হোবার্ট হ্যারিকেন্স ১১ রানে ম্যাচটা জেতে। তবে হোবার্ট হ্যারিকেন্স আরো বেশি রানেই জিততে পারত যদি শেষ উইকেটে অত রান না হত। ১৪.২ ওভারে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের স্কোর তখন ১০২/৯। হোবার্ট হ্যারিকেন্সের জয় আর সময়ের অপেক্ষা। ঠিক তখনই ৮ নম্বর ব্যাটসম্যান ড্যানিয়েল ওরাল ১১ নম্বেরর ড্যানি ব্রিগসের সঙ্গে বড় পার্টনারশিপ করে দলকে অসাধারণ একটি জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৭ ও ১৮ ওভার মিলিয়ে তারা ৩১ রান নেন।‌ শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৬ রান।‌ টি-২০ তে যেটা অসম্ভব কিছু না। কিন্তু শেষ দুই ওভারে সিডনি সিক্সার্সের বোলারদের টাইট বোলিংয়ে সেটা সম্ভব হয়নি। ড্যানিয়েল ওরাল ৩৯ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন এবং ড্যানি ব্রিগস ১৮ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন। সিডনি সিক্সার্সের বোলারদের মধ্যে সবথেকে ভাল বল করেন জেমস ফকনার। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট সংগ্রহ করেন তিনি। ম্যাচের সেরা হন ডি’আর্শি শর্ট।

আরও পড়ুন

Back to top button