Cricket NewsIndian Cricket Team

Sourav Ganguly: রাহুল দ্রাবিড় ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়া নিয়ে যা বললেন সৌরভ

হেড কোচ হিসেবে টি-টোয়েন্টি ঘরোয়া সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ভারত। এরপর খুব শীঘ্রই জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির চিফ কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। একসময় এনারা দুজনেই বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সতীর্থ ছিলেন। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ভারতীয় ক্রিকেট এখন নিরাপদ হাতে।

Advertisement

ইতিমধ্যেই ভারতীয় দলের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। হেড কোচ হিসেবে টি-টোয়েন্টি ঘরোয়া সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ভারত। এরপর খুব শীঘ্রই জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির চিফ কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। একসময় এনারা দুজনেই বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সতীর্থ ছিলেন। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ভারতীয় ক্রিকেট এখন নিরাপদ হাতে।

Advertisement

জাতীয় দলের জন্য রাহুল দ্রাবিড়কে ও এনসিএ’এর জন্য ভিভিএস লক্ষ্মণকে কোচের দায়িত্বে রাজি করানো কতটা কঠিন ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভারতীয় ক্রিকেটে তাদের অবদান উল্লেখযোগ্য। প্রথমে তারা রাজি না হলেও পরে এই দায়িত্ব নিতে তারা রাজি হয়ে যান। আবেগের জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মণ এই দায়িত্ব নেওয়ায় খুশি হয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের সকলেই।

Advertisement

বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট আরো জানান, ভিভিএস লক্ষ্মণ একজন নরম স্বভাবের মানুষ হলেও তার দায়িত্ববোধ খুব উচ্চমানের। মূলত এই কারণেই তাকে ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কোচ হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। ভিভিএস লক্ষ্মণের আগে এনসিএ’র কোচ ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এনসিএ’রর কোচ থাকাকালীন রাহুল দ্রাবিড় একটি নিয়ম চালু করেছিলেন। যদি মনে করেন তাহলে লক্ষ্মণ কোচ হিসেবে সেই নিয়ম এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে ভিভিএস লক্ষ্মণের পাশাপাশি পেস বোলিংয়ের কোচ হিসাবে বিসিসিআই অস্ট্রেলিয়ান কোচ ট্রয় কুলিকে নিয়োগ করতে পারে।

আইপিএলে হায়দ্রাবাদের মেন্টর হিসাবে বড় অঙ্কের চুক্তিতে যুক্ত ছিলেন কুলি। তবুও তিনি ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দায়িত্ব নিলেন, এই কারণে খুশি সৌরভ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্বের খাতিরে ট্রয় কুলি সপরিবারে হায়দ্রাবাদ থেকে আগামী তিন বছরের জন্য বেঙ্গালুরু চলে আসছেন। এই তিন বছর তার ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা চলবে ব্যাঙ্গালুরুতেই। ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেই মনে করেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট।

Related Articles

Back to top button