Cricket NewsIPL League

DC vs MI: মাথায় হাত মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের! ৪ উইকেটে বাজিমাত দিল্লি ক্যাপিটালসের

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের চেয়ে রানরেটে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাছাড়া দুই দল ইতিমধ্যে সম সংখ্যক ম্যাচ খেলে নিয়েছে। দুটি দলের সেরা চারে পৌঁছাতে গেলে সামনে দুটি ম্যাচে জয়লাভ করতে হবে। দিল্লি ক্যাপিটালস এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স একেবারে নুইয়ে পড়েছিল।

Advertisement

মাথায় হাত পড়ল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। দিল্লি ক্যাপিটালস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যে আজ আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজকের ম্যাচে জয় লাভ করা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। আজ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরাজিত হওয়ার পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের পাল্লা অনেক ভারী হয়ে গেল। কারণ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের চেয়ে রানরেটে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাছাড়া দুই দল ইতিমধ্যে সম সংখ্যক ম্যাচ খেলে নিয়েছে। দুটি দলের সেরা চারে পৌঁছাতে গেলে সামনে দুটি ম্যাচে জয়লাভ করতে হবে। দিল্লি ক্যাপিটালস এর সাথে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স একেবারে নুইয়ে পড়েছিল।

Advertisement

আজ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালস টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ঋষভ পন্তের এই নির্ণয় সময় সাপেক্ষে সঠিক ছিল সেটি প্রমাণিত হয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংস শেষ হবার পর। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কুড়ি ওভার ব্যাটিং করে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৯ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সূর্য কুমার যাদব সর্বোচ্চ ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। তাছাড়া কুইন্টন ডি কক করেন ১৯ রান। হিটম্যান রোহিত শর্মা আজ দলের জন্য কোনরকম যোগদান করতে পারেননি। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলাররা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সামনে বিধ্বংসী বোলিং করেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের আবেশ খান এবং আকসার প্যাটেল ব্যক্তিগত তিনটি করে উইকেট দখল করেছেন।

Advertisement

মাত্র ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে প্রথমেই হুড়মুড়িয়ে পড়ে দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং ব্যাটসম্যান শেখর ধাওয়ান এবং পৃথ্বী শ তাড়াতাড়ি প্যাভিলিয়নে ফেরেন। শেখর ধাওয়ান দুর্দান্ত শুরু করলেও রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর দলের দায়িত্ব কাধে তুলে নেন অধিনায়ক ঋষভ পন্ত এবং শ্রেয়াস আইয়ার। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৬ রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন ঋষভ পন্ত। এক প্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দাঁড়িয়ে থাকেন শ্রেয়াস আইয়ার। তিনি ৩৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। এছাড়া রবীচন্দ্রন অশ্বিন শেষ সময়ে ২১ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা যথেষ্ট ভালো বল করলেও কম লক্ষ্যমাত্রা থাকায় ম্যাচে আর প্রত্যাবর্তন করতে পারিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

Related Articles

Back to top button